চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রেসক্লাবের ব্যানার ব্যবহার করে বিতর্কিত একটি কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ, প্রেসক্লাবের আড়ালে স্বৈরাচারের দোসররা আবারও সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন সাংবাদিক গা ঢাকা দিলে জুলাই আন্দোলনের পক্ষের সাংবাদিকরা কর্ণফুলী প্রেসক্লাবকে বিতর্কমুক্ত রাখতে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন। তবে ওই কমিটি কার্যকর থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নতুন করে একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়, যা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, চরলক্ষ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু তালেব ও শফিক আহমদ সাদেকির সহযোগিতায় সাংবাদিক পরিচয়ধারী কিছু ব্যক্তি প্রেসক্লাবের নামে একটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন। এতে সভাপতি করা হয় মোরশেদ নয়নকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় ওসমান হোসাইনকে।
মোরশেদ নয়নের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ হলে তিনি ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করেন এবং পরবর্তীতে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সরকার পতনের পর মোরশেদ নয়ন তার তিন ভাইসহ আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্ন মামলার হাত থেকে রক্ষা করতে প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে প্রশাসনের কাছে তদবির করছেন। তার ভাইদের মধ্যে একজন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি, আরেকজন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অপরজন যুবলীগের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।
নবগঠিত কমিটিতে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা